ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo হাজারো অসহায়ের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করলেন মেয়র Logo কল্পলোক আবাসিক মসজিদের জায়গা ব্যক্তির নামে বরাদ্দ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন Logo নিঃস্বার্থে মানব সেবা গ্রুপের ঈদ উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ  Logo ফুলপুরে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট,ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য Logo রামপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মোঃ আবুল কাশেমের মৃত্যুতে Logo Logo “মুসলিম কমিউনিটি মৌলভীবাজার” এর তাৎপর্য‍‍` শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মশা নিয়ন্ত্রণে গবেষণার জন্য গবেষণাগার চালুর ঘোষণা দিয়েছেন Logo বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হৃদয়ে -চেতনায় বাংলাদেশ Logo সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন

স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রামের ভূমিকা ঐতিহাসিক: মেয়র রেজাউল

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪ ১৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ভূমিকা থাকলেও পর্যাপ্ত গবেষণা ও প্রচারের অভাবে জনগণের কাছে পৌঁছেনি বলে মন্তব্য  করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।   মঙ্গলবার মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ  প্রাঙ্গণস্থ শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন মেয়র। এসময় মেয়র বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রামে ভূমিকা ঐতিহাসিক। শুধু নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ নয়, স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমি
তৈরি করতে চট্টগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ১৯৬৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের ডাকে বিশাল
জনসভায় প্রথম জনতার সামনে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচির ঐতিহাসিক ঘোষণা প্রদান করেন। কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে জাতির পিতার স্বাধীনতার
ঘোষণা ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। পাকিস্তানিদের ভিত কাঁপিয়ে দেয়া অপারেশন জ্যাকপট যার মাধ্যমে পাকিস্তানিদের তিনটি বড় অস্ত্রবাহী জাহাজ পানিতে তলিয়ে যায় তাও পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম বন্দরে। “তবে, পর্যাপ্ত গবেষণা ও প্রচারের অভাবে চট্টগ্রামের এতসব ঐতিহাসিক  ভূমিকা ও অর্জন জনগণের কাছে সেভাবে পৌঁছেনি। তরুণদের প্রতি আমাদের অনুরোধ গবেষণা ও প্রচারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের এই ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা জনতার কাছে ছড়িয়ে দিতে। যে চেতনাকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সে চেতনাকে শাণিত করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে তরুণদের।” এরপর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান মেয়র। এসময় চসিক কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করেন মেয়র৷ এ কর্নারে বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি বই- অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, আমার দেখা নয়াচীন রাখা হয়েছে সার  সারি করে। এছাড়া, বঙ্গবন্ধুর বিখ্যাত সব উক্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে দেয়াল। চসিকে আসা সেবাগ্রহীতারা অপেক্ষমাণ অবস্থায় বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন নানা কিছু এ কর্নার থেকে  এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, শিক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর নেছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, সমাজকল্যাণ স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি আবদুস সালাম মাসুম, নুরুল আমিন, গোলাম মোঃ জোবায়ের, সলিম উল্ল্যাহ, আবুল হাসনাত মো. বেলাল, আবদুল মান্নান, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, নূর মোস্তফা টিনু, আনজুমান আরা, ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমি, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মনীষা মহাজন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ আকবর আলী, ফরহাদুল আলম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা, শিক্ষা কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলামসহ সিবিএ নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, চসিকের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ৷ (প্রেস বিজ্ঞপ্তি-২) চসিকের স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পেলেন ১০জন নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহান স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক-২০২৪ পেয়েছেন ১০ জন৷ মঙ্গলবার বিকালে নন্দনকাননস্থ থিয়েটার ইন্সটিটিউটে সম্মাননা পদকপ্রাপ্তরা হলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ স্বপন চৌধুরী (মরণোত্তর),স্বাধীনতা আন্দোলনে জাহান আরা আঙ্গুর (মরণোত্তর), চিকিৎসায় ডা. মো. এখলাস উদ্দিন (মরণোত্তর)৷ ক্রীড়ায় জর্জ ম্যাকওয়া (মরণোত্তর), শিক্ষায় অধ্যাপক মোহাম্মদ ফজলুল হক, সংগীতে সৈয়দ মহিউদ্দিন, শিল্প উন্নয়নে মোহাম্মদ আবদুস সালাম, সমাজসেবায় সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, সাংবাদিকতায় ডেইজী মউদুদ, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার আন্তর্জাতিকীকরণে মো. আলমগীর অপু। স্বাধীনতা স্মারক পদক প্রদান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, দেশ গড়ার কাজে সবাইকে উৎসাহ দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা জানাচ্ছি আমরা৷ আপনারা দেশপ্রেম দিয়ে, শ্রম দিয়ে, মেধা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন এ আমাদের প্রত্যাশা৷ “নদীর স্রোতকে যেভাবে বাধা দেয়া যায়না, ইতিহাসকে সেভাবে বাধাগ্রস্ত করা যায়না৷ বঙ্গবন্ধুর নাম ইতিহাস থেকে মুছে দিতে অনেক অপচেষ্টা হয়েছে কিন্তু সফল হয়নি৷ বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ গেরিলাদের জন্য বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণ বলে মনে করি৷ বঙ্গবন্ধু তার অর্জনের কারণে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন এবং থাকবেন৷”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর আবদুস সালাম মাসুম৷ পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে অনুভূতি প্রকাশ করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ ফজলুল হক, এশিয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুস সালাম, ডেইজী মউদুদ। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, আফরোজা কালাম, ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমি, মেয়রের একান্ত সচিব ও প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হাশেম, শিক্ষা কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার, আবু তালেব বেলাল প্রমুখ৷

ক্যাপশন :
১। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণস্থ শহিদ
মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম চৌধুরী।
২। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।
৩। চসিক কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম চৌধুরী।
৪। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহান স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক- ২০২৪ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম চৌধুরী।
৫। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহান স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক- ২০২৪ বিতরণ বিতরণ করছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো
রেজাউল করিম চৌধুরী।
৬। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহান স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক- ২০২৪ বিতরণ অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্তদের সাথে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম চৌধুরী।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রামের ভূমিকা ঐতিহাসিক: মেয়র রেজাউল

আপডেট সময় : ০৭:২২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক ভূমিকা থাকলেও পর্যাপ্ত গবেষণা ও প্রচারের অভাবে জনগণের কাছে পৌঁছেনি বলে মন্তব্য  করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।   মঙ্গলবার মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ  প্রাঙ্গণস্থ শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন মেয়র। এসময় মেয়র বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে চট্টগ্রামে ভূমিকা ঐতিহাসিক। শুধু নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ নয়, স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভূমি
তৈরি করতে চট্টগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ১৯৬৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের ডাকে বিশাল
জনসভায় প্রথম জনতার সামনে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচির ঐতিহাসিক ঘোষণা প্রদান করেন। কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে জাতির পিতার স্বাধীনতার
ঘোষণা ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। পাকিস্তানিদের ভিত কাঁপিয়ে দেয়া অপারেশন জ্যাকপট যার মাধ্যমে পাকিস্তানিদের তিনটি বড় অস্ত্রবাহী জাহাজ পানিতে তলিয়ে যায় তাও পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম বন্দরে। “তবে, পর্যাপ্ত গবেষণা ও প্রচারের অভাবে চট্টগ্রামের এতসব ঐতিহাসিক  ভূমিকা ও অর্জন জনগণের কাছে সেভাবে পৌঁছেনি। তরুণদের প্রতি আমাদের অনুরোধ গবেষণা ও প্রচারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের এই ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা জনতার কাছে ছড়িয়ে দিতে। যে চেতনাকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সে চেতনাকে শাণিত করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে তরুণদের।” এরপর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান মেয়র। এসময় চসিক কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করেন মেয়র৷ এ কর্নারে বঙ্গবন্ধুর লেখা তিনটি বই- অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, আমার দেখা নয়াচীন রাখা হয়েছে সার  সারি করে। এছাড়া, বঙ্গবন্ধুর বিখ্যাত সব উক্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে দেয়াল। চসিকে আসা সেবাগ্রহীতারা অপেক্ষমাণ অবস্থায় বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন নানা কিছু এ কর্নার থেকে  এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, শিক্ষা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর নেছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, সমাজকল্যাণ স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি আবদুস সালাম মাসুম, নুরুল আমিন, গোলাম মোঃ জোবায়ের, সলিম উল্ল্যাহ, আবুল হাসনাত মো. বেলাল, আবদুল মান্নান, ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী, নূর মোস্তফা টিনু, আনজুমান আরা, ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমি, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মনীষা মহাজন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ আকবর আলী, ফরহাদুল আলম, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা, শিক্ষা কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলামসহ সিবিএ নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, চসিকের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক- শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ৷ (প্রেস বিজ্ঞপ্তি-২) চসিকের স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পেলেন ১০জন নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহান স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক-২০২৪ পেয়েছেন ১০ জন৷ মঙ্গলবার বিকালে নন্দনকাননস্থ থিয়েটার ইন্সটিটিউটে সম্মাননা পদকপ্রাপ্তরা হলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ স্বপন চৌধুরী (মরণোত্তর),স্বাধীনতা আন্দোলনে জাহান আরা আঙ্গুর (মরণোত্তর), চিকিৎসায় ডা. মো. এখলাস উদ্দিন (মরণোত্তর)৷ ক্রীড়ায় জর্জ ম্যাকওয়া (মরণোত্তর), শিক্ষায় অধ্যাপক মোহাম্মদ ফজলুল হক, সংগীতে সৈয়দ মহিউদ্দিন, শিল্প উন্নয়নে মোহাম্মদ আবদুস সালাম, সমাজসেবায় সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, সাংবাদিকতায় ডেইজী মউদুদ, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার আন্তর্জাতিকীকরণে মো. আলমগীর অপু। স্বাধীনতা স্মারক পদক প্রদান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, দেশ গড়ার কাজে সবাইকে উৎসাহ দিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা জানাচ্ছি আমরা৷ আপনারা দেশপ্রেম দিয়ে, শ্রম দিয়ে, মেধা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন এ আমাদের প্রত্যাশা৷ “নদীর স্রোতকে যেভাবে বাধা দেয়া যায়না, ইতিহাসকে সেভাবে বাধাগ্রস্ত করা যায়না৷ বঙ্গবন্ধুর নাম ইতিহাস থেকে মুছে দিতে অনেক অপচেষ্টা হয়েছে কিন্তু সফল হয়নি৷ বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ গেরিলাদের জন্য বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণ বলে মনে করি৷ বঙ্গবন্ধু তার অর্জনের কারণে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন এবং থাকবেন৷”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর আবদুস সালাম মাসুম৷ পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে অনুভূতি প্রকাশ করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ ফজলুল হক, এশিয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুস সালাম, ডেইজী মউদুদ। চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, আফরোজা কালাম, ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমি, মেয়রের একান্ত সচিব ও প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হাশেম, শিক্ষা কর্মকর্তা রাশেদা আক্তার, আবু তালেব বেলাল প্রমুখ৷

ক্যাপশন :
১। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণস্থ শহিদ
মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম চৌধুরী।
২। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।
৩। চসিক কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম চৌধুরী।
৪। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহান স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক- ২০২৪ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম চৌধুরী।
৫। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহান স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক- ২০২৪ বিতরণ বিতরণ করছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো
রেজাউল করিম চৌধুরী।
৬। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মহান স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক- ২০২৪ বিতরণ অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্তদের সাথে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম চৌধুরী।