ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ :
Logo হাজারো অসহায়ের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করলেন মেয়র Logo কল্পলোক আবাসিক মসজিদের জায়গা ব্যক্তির নামে বরাদ্দ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন Logo নিঃস্বার্থে মানব সেবা গ্রুপের ঈদ উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ  Logo ফুলপুরে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট,ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য Logo রামপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মোঃ আবুল কাশেমের মৃত্যুতে Logo Logo “মুসলিম কমিউনিটি মৌলভীবাজার” এর তাৎপর্য‍‍` শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মশা নিয়ন্ত্রণে গবেষণার জন্য গবেষণাগার চালুর ঘোষণা দিয়েছেন Logo বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হৃদয়ে -চেতনায় বাংলাদেশ Logo সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ পরিবর্তন  ও সংশোধন হওয়া আবশ্যক

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • আপডেট সময় : ০৬:৩০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩২ বার পড়া হয়েছে
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ সমাজকর্মী অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুল হক ফেনী -১ আস ছাগলনাইয়া,ফুলগাজী ও পরশুরাম এর স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের মনোনয়ন জমাদানকারী প্রার্থী রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায়  বলে ১৯২৩ সালের শ্রমিক ক্ষতিপূরণ আইনটি ছিল সেকেলে ও সনাতন তথা প্রাচীন।
অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুল হক আরও বলেন, ঐ আইনের  কমপেনসেশন এতই কম যে তা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। যদিও ১৯৭৪ সালের ৫৩ নং আইন এবং ১৯৮০ সালের ২৬ নং আইনের দ্বারা এর সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাড়ানো হয়েছে। সঙ্গতকারণে ১৯৭২ সালের আরপিও সংশোধন করা উচিত। কারণ অতীতে ১৯৭২ সালে প্রণীত আইনের রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের তার নির্বাচনী এলাকায় মোট ভোটের ১% ভোট মনোনয়ন পত্রের সাথে দাখিল করতে হয়না কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কেন ১% ভোটের তালিকা জমা দিতে হবে যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও পরিপন্থী তাই মহামান্য রাষ্ট্রপতি তার এক আদেশ এই ধারা সংশোধন করে দিলে বাংলাদেশের অনেক বাতিল হওয়া মনোনয়ন পত্র বৈধ হবে এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন।
অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুল হক সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগে, নির্বাহী বিভাগের ৪৮ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে “রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির উর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাহার উপর অর্পিত সকল  ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।
অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি ইচ্ছা করলে ১% ভোটের তালিকা মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে জমা দেয়া বাতিল করতে পারবেন এজন্যই মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মহামান্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিকট সবিনয়ে বিনীত অনুরোধ করছি জনগণের জন্য আইন কিন্তু আইনের জন্য জনগণ নয়। আইন তৈরি করে জনগণের মঙ্গল ও সেবা করার জন্য। এবং এই আইন জনগণই বা তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তৈরি করে। জনগণই সকল ক্ষতার  উৎস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ পরিবর্তন  ও সংশোধন হওয়া আবশ্যক

আপডেট সময় : ০৬:৩০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ সমাজকর্মী অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুল হক ফেনী -১ আস ছাগলনাইয়া,ফুলগাজী ও পরশুরাম এর স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের মনোনয়ন জমাদানকারী প্রার্থী রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায়  বলে ১৯২৩ সালের শ্রমিক ক্ষতিপূরণ আইনটি ছিল সেকেলে ও সনাতন তথা প্রাচীন।
অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুল হক আরও বলেন, ঐ আইনের  কমপেনসেশন এতই কম যে তা জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। যদিও ১৯৭৪ সালের ৫৩ নং আইন এবং ১৯৮০ সালের ২৬ নং আইনের দ্বারা এর সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাড়ানো হয়েছে। সঙ্গতকারণে ১৯৭২ সালের আরপিও সংশোধন করা উচিত। কারণ অতীতে ১৯৭২ সালে প্রণীত আইনের রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের তার নির্বাচনী এলাকায় মোট ভোটের ১% ভোট মনোনয়ন পত্রের সাথে দাখিল করতে হয়না কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কেন ১% ভোটের তালিকা জমা দিতে হবে যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও পরিপন্থী তাই মহামান্য রাষ্ট্রপতি তার এক আদেশ এই ধারা সংশোধন করে দিলে বাংলাদেশের অনেক বাতিল হওয়া মনোনয়ন পত্র বৈধ হবে এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন।
অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুল হক সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগে, নির্বাহী বিভাগের ৪৮ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে “রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির উর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাহার উপর অর্পিত সকল  ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।
অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি ইচ্ছা করলে ১% ভোটের তালিকা মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে জমা দেয়া বাতিল করতে পারবেন এজন্যই মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মহামান্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিকট সবিনয়ে বিনীত অনুরোধ করছি জনগণের জন্য আইন কিন্তু আইনের জন্য জনগণ নয়। আইন তৈরি করে জনগণের মঙ্গল ও সেবা করার জন্য। এবং এই আইন জনগণই বা তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তৈরি করে। জনগণই সকল ক্ষতার  উৎস।